গোমাংস নিয়ে ওঠার অভিযোগে চলন্ত ট্রেন থেকে মহিলা_শিশুকে_ফেলে_দিল_ ভারতীয় পুলিশ

গোমাংস নিয়ে ওঠার অভিযোগে  চলন্ত ট্রেন থেকে মহিলা_শিশুকে_ফেলে_দিল_ ভারতীয় পুলিশ

Views:
0

 

#এবার_উত্তর চব্বিশ _পরগনার_বারাসত_হাসনাবাদ
#এই_বাংলায়_ #গোমাংস_নিয়ে_ ওঠার_অভিযোগ চলন্ত _ট্রেন_থেকে #মহিলা_শিশুকে_ফেলে_দিল_পুলিশ

#উত্তরপ্রদেশের দাদরির ছায়া এবার বাংলায়। ঈদের দিন গোমাংস নিয়ে ট্রেনে ওঠায় তিন শিশু ও চার মহিলাকে চলন্ত ট্রেন থেকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুই আরপিএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই – শিশু সহ সাত জন।
ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষী রেল পুলিশদের শাস্তির দাবীতে সোন্ডালিয়া স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করে ঘন্টা দু’য়েক ধরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব রেলের বারাসাত – হাসনাবাদ শাখার সোন্ডালিয়া স্টেশনে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সোন্ডালিয়া গ্রামে কুরবানির মাংস আনতে গিয়েছিলেন হাড়োয়া এলাকার চারজন মহিলা। তাদের সঙ্গে তিনটি বাচ্চাও ছিল। মাংস নিয়ে সন্ধ্যা সাতটা পনের মিনিটের ট্রেনে চড়ে হাড়োয়ায় ফিরছিলেন তারা। সকলেই একটি মহিলা কামরায় উঠেছিলেন। সেসময় কর্তব্যরত দুই রেল পুলিশ মহিলাদের প্যাকেটে কী আছে জানতে চান। প্যাকেট খুলে পরীক্ষাও করেন তারা। অভিযোগ, প্যাকেটের মধ্যে গোমাংস দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন রেল পুলিশের ওই কর্মীরা।

জোর করে তাদের ট্রেন থেকে নামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু ওই মহিলারা ট্রেন থেকে নামতে অস্বীকার করেন। এরপর এক রেল পুলিশ মঞ্জিলা বিবি, হাসিনা বিবি, মানোয়ার বিবি এবং রেহানা খাতুন নামে এক প্রতিদ্বন্দ্বী মহিলাকে তাদের সঙ্গে থাকা শিশু – সহ চলন্ত ট্রেন থেকে লাথি মেরে প্লাটফর্ম এ ফেলে দেয় বলে অভিযোগ।


মঞ্জিলা বিবি নামে এক মহিলার কোল থেকে বছর পাচেকের এক শিশু ছিটকে পড়ে যায়।
তার মাথায় আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ। আছাড়া আরও দুই শিশু এবং তিনজন মহিলা কমবেশী আঘাত পেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাদের স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়।


এদিকে ঘটিনাটি জানাজানি হতেই উত্তেজনা ছড়ায় স্টেশন চত্বরে। ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত রেল পুলিশকে গ্রেফতারের দাবীতে রাত আটটা দশের ডাউন হাসনাবাদ লোকাল আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রায় ঘন্টা দু’য়েক ধরে চলে বিক্ষোভ। বন্ধ হয়ে যায় রেল চলাচল। নাকাল হয় যাত্রীরা।


খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয় শাসন এবং দেগঙ্গা থানার পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে আসেন রেল পুলিশের আধিকারিকরা। অবশেষে দোষী রেল পুলিশদের গ্রেফতারের লিখিত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলে রাত দশটা নাগাদ অবরোধ উঠে যায়।
জিআরপি-র বারাসাত থানার ওসি দীপক কুমার পাইক জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে।

সূত্র  Lipa Roy এর ফেবু  থেকে  নেওয়া  


Facebooktwittergoogle_plusredditpinterestlinkedinmail

Skip to toolbar