যে কোন মুহুর্তে ভারত-পাকিস্তান পুর্নাঙ্গ যুদ্ধ শুরু

0
9

 

সীমান্তে উভয়পক্ষের শক্তি বৃদ্ধি করে যুদ্ধের মহড়া;

ভারতীয় সৈন্যদের ছুটি বাতিল;

ভারতের পাঞ্জাব সীমান্তের ১০ কিলোমিটার এলাকার গ্রামগুলো মানবশূন্য করে দেয়ার কাজ শুরু;

আটক সৈন্যকে মুক্ত করতে পাকিস্তানের দ্বারস্থ ভারত;

পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ ভারতের;

কেন পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কা নয়াদিল্লির?

 

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। দুই দেশের সীমান্তে এখন পুরোপুরি যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো সময় যুদ্ধের ঘণ্টা বেজে উঠতে পারে। ভাতের কথিত ‘সার্জিক্যাল অপারেশন’ ও পাকিস্তানের তরফে তার ‘সমুচিত জবাবের’ পরিপ্রেক্ষিতে পরিস্থিতি ঘোলাটে রূপ নিয়েছে। এমতাবস্থায় দু’দেশেই রণদামামা বেজে উঠেছে। পাক সেনা প্রধানের বদলা নেয়ার ঘোষণার পর পাকিস্তানের তরফ থেকে পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১০ কিলোমিটার এলাকার গ্রামগুলো থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে গত রাত থেকেই। জেলা প্রশাসন সেগুলো খালি করার কাজ শুরু করেছে। গ্রামগুলোর দখল নিয়ে খোঁড়া হচ্ছে বাঙ্কার।

 

 

সীমান্তে মজুদ করা হচ্ছে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ। সীমান্তের দায়িত্ব এখনও বিএসএফের হাতে থাকলেও, প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে পঠানকোট সেনা ছাউনিকেও। খালি করে দেয়া হয়েছে পঠানকোট হাসপাতালের আপৎকালীন বিভাগ। রোগীদের অন্যত্র পাঠানো হয়েছে। পাকিস্তানেও সীমান্তের কিছু এলাকা থেকে মানুষজন সরে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ দিকে কাশ্মির সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তান গতকাল কয়েক দফা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গুলি চালিয়েছে বলে ভারতের অভিযোগ। খবর বিবিসি, ডন, এনডিটিভি, জিওনিউজ, আনন্দবাজার, ইন্ডিয়া টুডে ও দি হিন্দুর।

 

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে এখন পুরোপুরি যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। সীমান্তে উভয়পক্ষ শক্তি বৃদ্ধি করে যুদ্ধের মহাড়া দিচ্ছে। এমতাবস্থায় যেকোনো সময় যুদ্ধের ঘণ্টা বেজে উঠতে পারে এমন আশঙ্কায় ভারত-পাকিস্তান দুই সীমান্তেই খালি করা হচ্ছে গ্রামগুলো। সরিয়ে নেয়া হচ্ছে গ্রামের মানুষদের। এ দিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে সেনাদের ছুটি বাতিলের খবর।

 

দুই দিকেই চরম সতর্কতা, হামলার শঙ্কায় গ্রাম ছাড়ছেন বাসিন্দারা

 

নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে পাকিস্তান শাসিত কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর অভিযানের পর দুই দেশেরই সীমান্তের অনেক জায়গায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্রামবাসীকে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।

 

ভারতীয় পাঞ্জাব রাজ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১০ কিলোমিটার এলাকার গ্রামগুলো থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে দেয়ার কাজ শুরু হয়েছে গত রাত থেকেই।

 

কলকাতায় বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা অমিতাভ ভট্টশালী জানাচ্ছেন, পাকিস্তান শাসিত কাশ্মিরে ভারতীয় সেনার হামলার পর এখন ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে দেখা দিয়েছে পাকিস্তানের জবাবী হামলার আশঙ্কা।

 

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে বা গোটা জম্মু-কাশ্মির রাজ্যে এ ধরনের কোনো সরকারি নির্দেশ না দেয়া হলেও জম্মু এলাকার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো থেকে বহু মানুষ নিজ উদ্যোগেই সরে যাচ্ছেন বলে তিনি জানান।

 

এ দিকে পাকিস্তান থেকে বিবিসির সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন যে সেখানেও সীমান্তের কিছু এলাকা থেকে মানুষজন সরে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

 

অন্য দিকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে তাদের কথায় ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালানো হয়েছিল বুধবার রাতে, তারপরে নিয়ন্ত্রণ রেখার অন্য দিক থেকে গোলাবর্ষণ হয়েছে বৃহস্পতিবার রাতে।

 

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জম্মুর ডেপুটি কমিশনার সিমরণদীপ সিংকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, অখনূর সেক্টরে পাকিস্তানি ফরোয়ার্ড পোস্ট থেকে গুলি চালানো হয়েছে রাত ১২টা থেকে দেড়টার মধ্যে। পল্লনওয়ালা, চপড়িয়াল আর সমনাম এলাকায় এই গুলিবর্ষণ হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই।

 

ভারতের কথিত সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের এক দিন পর পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণ রেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর ভারতের দু’টি অবস্থানে গুলি চালিয়েছে। পাকিস্তান নতুন করে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে জম্মু অঞ্চলে গত ১২ ঘণ্টায় দুই দফা সীমান্তে হামলা চালালে উভয়পক্ষে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ সূত্র জানায়, নওসেরার সালাল ও বাবাখোর এলাকায় সকাল ১০টার দিকে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলিবিনিময়ের শব্দে বেসামরিক লোকজন ওই সব এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর আগে আখনুরের পাল্লানওয়ালা এলাকায় রাত সাড়ে ১২টা থেকে দেড়টার মধ্যে গুলিবিনিময় হয়।

 

একাধিক সূত্র জানায়, পাকিস্তানের দিক থেকে ঘন ঘন গুলি চালানো হয়। ভারতও ‘সমভাবে’ তার পাল্টা জবাব দেয়। গত ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এটা তৃতীয় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন।

 

উত্তেজনার মধ্যে ফের বৈঠকে বসছে মোদি সরকার

 

পাক-ভারত উত্তেজনা নিয়ে ফের ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তাবিষয়ক কমিটি বৈঠকে বসছে আজ। বৈঠকে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে সেনা অভিযানের জেরে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করা হবে। বৃহস্পতিবার ২২টি দেশকে ভারতের সেনা অভিযানের কথা জানান বিদেশসচিব এস জয়শঙ্কর। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুজান রাইসের কথা হয়।

 

ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো দেশই বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর পরামর্শ দিয়েছে আমেরিকা। পাক-ভারত আলোচনার পক্ষে সওয়াল করেছে চীন।

 

স্বরাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংও আজ বৈঠকে বসছেন। ওঞইচ-র আধিকারীদের সঙ্গেও তিনি কথা বলবেন। ভারতের সেনা অভিযানের পর পাক-ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং নিয়ন্ত্রণ রেখার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।

 

বদলা নিতে পাল্টা হুমকি পাকিস্তানের

 

নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপাশে গিয়ে ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দাবিকে খারিজ করে দিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের দাবি, বৃহস্পতিবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নয়, নয়াদিল্লি আসলে নিয়ন্ত্রণ রেখায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। এর ফলে মৃত্যু হয়েছে তাদের দু’জন সেনার। তবে ভারতের আক্রমণের যোগ্য জবাব দেয়া হয়েছে বলেই দাবি করেছে পাক সেনা। পাক সেনা সূত্রকে উল্লেখ করে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, নিয়ন্ত্রণ রেখায় তাতপানিতে একজন ভারতীয় সেনাকে বন্দী করেছে পাকিস্তান। রাতের লড়াইয়ে নিহত হয় আট ভারতীয় সেনা। দাবি করা হয়েছে, যে ভারতীয় সেনাকে পাকিস্তান বন্দী করেছে, তার নাম বাসন চহ্বাণ (২২)। তার বাড়ি মহারাষ্ট্রে। বন্দী ভারতীয় সেনাকে অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি। কিন্তু নিহত ভারতীয় সেনাদের দেহ পাকিস্তানের হাতে নেই বলে জানানো হয়েছে। তবে পাক সেনার পক্ষ থেকে এ নিয়ে কথা বলা হয়নি।

 

গভীর রাতে ভারতের আচমকা আক্রমণের পরেই আজ শুক্রবার দিনভর পাল্টা রণনীতি তৈরিতে ব্যস্ত ছিল পাকিস্তান।

 

প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেন সেনাপ্রধান রাহিল শরিফের সঙ্গে। পাক সংবাদমাধ্যমের দাবি, রাহিল শরিফ দেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, ভারতের তরফে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দাবি ভিত্তিহীন। তবে তিনিই পরে দেশের কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে জানান, পাকিস্তান এর বদলা নেবে। গোটা ঘটনাকে ভিত্তিহীন বললেও পাক সেনাপ্রধান কেন বদলার কথা বললেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

 

রেডিও পাকিস্তানের খবর, ভারতের আঘাতের পরেই নওয়াজ শরিফ বলেন, পাকিস্তানের সেনা দেশকে রক্ষা করতে জানে। ভারতকে মোকাবেলায় তৈরি রয়েছে ইসলামাবাদ। শরিফের মন্তব্য, ‘যদি সার্বভৌমত্বে আঘাত আসে, পাকিস্তান তার জবাব দেবে।’ নওয়াজ বলেছেন, ‘পাকিস্তান শান্তি চায়। তবে একে দুর্বলতা ভাবার কোনো কারণ নেই।’ এই টানাপড়েনের মধ্যে ইসলামাবাদে ভারতের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠিয়েছে পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক।

 

নয়াদিল্লিকে জবাব দিতে কিভাবে এগোনো হবে, তা নিয়ে কথা বলতে আজ মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন নওয়াজ। সার্ক সম্মেলন বয়কট করতে নরেন্দ্র মোদি সরকারের সিদ্ধান্ত ও ভারতের আক্রমণের বিষয়ে সেখানে আলোচনা হবে। আজই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ হুমকি দিয়েছিলেন, প্রয়োজন হলে ভারতের ওপর পরমাণু হামলা চালানোর কথাও ভাববে ইসলামাবাদ।

 

কেন পাল্টা পাক আক্রমণের আশঙ্কা করছে নয়াদিল্লি?

 

যেভাবে বৃহস্পতিবার রাতে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে পাক অধিকৃত কাশ্মিরের জঙ্গি শিবির উড়িয়ে দেয়া হয়েছে, তাতে পাক সেনার বিলণ নাক কাটা গিয়েছে বলেই মনে করছেন কূটনীতিকরা। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ যখন পরমাণু হামলার হুমকি দিচ্ছেন, তখন ভারতের এই গোপন আক্রমণ প্রমাণ করে দিয়েছে ১) নিয়ন্ত্রণ রেখায় পাক সেনা সতর্ক ছিল না। ২) পাক-অধিকৃত কাশ্মিরে জঙ্গি শিবির আছে। ৩) পাক গোয়েন্দাদের কাছে এই হামলার খবর ছিল না। ব্যর্থতা ঢাকতেই হামলা করতে পারে পাকিস্তান।

 

কিন্তু সমস্যা রয়েছে তাতেও। কূটনীতিকদের একাংশের বক্তব্য, গতকাল সকাল থেকেই পাক সেনাবাহিনী দাবি করছে, ভারত কোনো হামলা চালায়নি। কেবল নিয়ন্ত্রণ রেখায় গুলিবিনিময় হয়েছে। এখন পাকিস্তান যদি ভারতের ওপর হামলা চালায়, তা হলে এই তথ্য স্বীকার করে নেয়া হবে যে ভারত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে জঙ্গি শিবিরে হামলা চালিয়েছে। যার প্রত্যুত্তরে ওই হামলা চালাতে বাধ্য হয়েছে পাকিস্তান। তবে সংশয় রয়েছে তা নিয়েও। কারণ এ নিয়ে তিনবার সরাসরি যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর চতুর্থবার সেই ঝুঁকি নেয়ার সাহস পাকিস্তান নেবে না বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।

তবু আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না। কারণ, এই মুহূর্তে ভারতের পশ্চিম সীমান্তে বিশেষ মহড়া অভিযান চালাচ্ছে পাক সেনা। তাতে অংশ নিয়েছে পাক সেনার স্থল ও বিমানবাহিনী। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে প্রায় ১৫ হাজার পাক সেনা ওই অভিযানে সক্রিয় রয়েছে।

 

আজ সকালে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিংহ বাদলকে ফোন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। জানান, পাল্টা হামলা চালানোর আশঙ্কা রয়েছে। তাই সীমান্তসংলগ্ন সব গ্রাম খালি করে দেয়া হোক।

 

পাঞ্জাবের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রায় ৫৫৩ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তের কাছাকাছি যে গ্রামগুলো রয়েছে, জেলা প্রশাসন দুপুর থেকেই সেগুলো খালি করার কাজ শুরু করেছে। গ্রামগুলোর দখল নিয়ে খোঁড়া হচ্ছে বাঙ্কার। সীমান্তে মজুদ করা হচ্ছে অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ। সীমান্তের দায়িত্ব এখনও বিএসএফের হাতে থাকলেও, প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে পঠানকোট সেনা ছাউনিকেও। খালি করে দেয়া হয়েছে পঠানকোট হাসপাতালের আপৎকালীন বিভাগ। রোগীদের অন্যত্র পাঠানো হয়েছে।

 

‘আটক’ সৈন্যকে মুক্ত করতে পাকিস্তানের দ্বারস্থ ভারত

 

এ দিকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং আজ শুক্রবার বলেছেন, ‘পাকিস্তানে আটক’ এক ভারতীয় সৈনিকের মুক্তির জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নিয়ন্ত্রণ রেখা (লাইন অব কন্ট্রোল) বরাবর ভারতের কথিত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকস’ চালানোর সময় ওই সৈন্য পাকিস্তানে আটক হয় বলে পাকিস্তানি মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়।

 

বৃহস্পতিবার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সার্জিক্যাল স্ট্রাইকস চালানোর কথা প্রকাশ করার সময় তাদের কোনো সৈনিক আটক বা হতাহত হওয়ার কথা জানায়নি। তারা দুই পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হওয়ার কথা জানায়। কিন্তু পাকিস্তানের দ্য নিউজ, ডনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় বলা হয় ভারতীয় আক্রমণের সময় পাকিস্তান সমুচিত জবাব দেয়। এতে ভারতের আট থেকে ১৪ সৈন্য নিহত হয়। এ ছাড়া এক সৈন্যকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী এবং সরকার বলে আসছে, তাদের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকস হয়নি। পুরোটাই ভারতের সাধারণ মানুষকে শান্ত করতে একটি ধাপ্পাবাজি। তবে প্রবীণ সাংবাদিক হামিদ মীরসহ বিভিন্ন বিশ্লেষক বলে আসছেন, অভিযান হয়েছে। আর এতে ভারতের বিপুল ক্ষতি হয়েছে।

 

ভারতীয় মিডিয়া জানায়, রাজনাথ বলেছেন, পাকিস্তানে এক ভারতীয় সৈন্য নিহত হওয়ার মিডিয়া প্রতিবেদন ভারত সরকার গুরুত্ব দিয়ে নিয়েছে। ভারত বিষয়টি পাকিস্তানের কাছে উপস্থাপন করবে।

 

আটক সৈন্যটি ৩৭ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের বলে জানানো হয়েছে। আটক ভারতীয় সৈন্যের নাম চান্দু বাবুলাল। তার বয়স ২২ বছর। তিনি পাকিস্তান ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিলেন বলে জানানো হয়।

 

রাজনাথ বলেন, এ ধরনের সীমান্ত অতিক্রম করা সামরিক বা বেসামরিক লোকজনের জন্য অস্বাভাবিক কিছু নয়। বিরাজমান ব্যবস্থার আলোকে এসব ফেরত দেয়া হয়।

 

মিলিটারি অপারেশন্স ডিজি লে. জেনারেল রণবির সিংয়ের মাধ্যমে পাকিস্তানকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে বলা হয়।

 

 

সার্জিক্যাল স্ট্রাইকস : পাকিস্তান এখন যা করতে চাইছে

 

কাশ্মির নিয়ে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা এখন যেরকম তুঙ্গে, ভারতীয় হামলার পর সবার নজর এখন ইসলামাবাদের দিকে। ভারতীয় হামলার জবাবে এখন কী করতে যাচ্ছে পাকিস্তান?

 

এ নিয়ে বিবিসি বাংলার মোয়াজ্জেম হোসেন কথা বলেছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ড. আয়েশা সিদ্দিকার সঙ্গে।

 

তার কাছে শুরুতেই জানতে চাওয়া হয়েছিল, নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর কাল রাতে আসলে কী ঘটেছে, পাকিস্তানে বসে কী জানতে পারছেন তারা?

 

আয়েশা সিদ্দিকা বলছিলেন, ‘কোনো কিছুই কিন্তু নিশ্চিত নয়। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দাবি করছে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোলাগুলি হয়েছিল। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশন্স কিছু দাবি করেছেন, কিন্তু সেখানকার সাংবাদিকেরা কিন্তু এসবের কিছুই নিশ্চিত করতে পারেননি।’

 

‘সুতরাং আমরা শুধু দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যই জানতে পারছি। কিন্তু যেটা আমরা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারি, তা হলো, উরিতে আক্রমণের একটা সমাপ্তি টানা ভারতের জন্য দরকার হয়ে পড়েছিল। কিন্তু এখন আমাদের দেখতে হবে এটাই সেই সমাপ্তি কিনা। এখন আমরা ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের জন্য অপেক্ষা করব কিনা।’

 

পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী দাবি করছে, ভারতের এই সার্জিক্যাল হামলার দাবি আসলে মিডিয়ায় চমক সৃষ্টির চেষ্টা। আসলেই কি ভারত সে দেশের জনগণকে এবং মিডিয়াকে খুশি করার জন্য তারা দেখাতে চাইছে যে উরি হামলার একটা ‘শক্ত জবাব’ তারা দিয়েছে?

 

‘এরকম একটা সম্ভাবনা কিন্তু আছে’- বলছিলেন ড. আয়েশা সিদ্দিকা।

 

‘কারণ দুই তরফেই বাকযুদ্ধটা এমন তীব্র পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, শুধু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নয়, নিজ নিজ দেশের জনগণকে বুঝ দেয়ার জন্য তাদের লোক দেখানো কিছু একটা করে দেখাতে হবে।’

 

‘সবচেয়ে দুঃখজনক ব্যাপারটা হচ্ছে, এই ঘটনার ব্যাপারে কোনো তরফ থেকেই কোনো বিশদ তথ্য কিন্তু আপনি পাচ্ছেন না। সেটা ভারতের দিক থেকেই হোক বা পাকিস্তানের দিক থেকে হোক। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোলাগুলি একটা নিয়মিত ঘটনা। এখন ভারত যে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছে বলে দাবি করছে, সেটা আসলে কী, তা তো আমরা জানি না’, বলছেন আয়েশা সিদ্দিকা।

 

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ এই ঘটনার পর শুক্রবার তার মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। ভারতের কথিত এই হামলার জবাবে পাকিস্তান এখন পাল্টা সামরিক হামলা চালাবে, সেরকম সম্ভাবনা আসলে কতটা? মিস সিদ্দিকা মনে করেন না সেরকম কোনো সম্ভাবনা আছে।

 

‘পাকিস্তান যেভাবে এই হামলার ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, তারা বলছে এটা আসলে কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গোলাগুলি, কোনো সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নয়। এ থেকে আমরা যেটা বুঝি, তা হলো সেরকম গুরুতর কিছু ঘটেনি, যেটার জন্য তাদের পাল্টা সামরিক হামলা চালাতে হবে। সৌভাগ্যবশত, এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের দিক থেকে আমরা হয়তো খুব সংযত জবাবই দেখব।’

 

উরি হামলায় ১৮ জন ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর ভারত গত দুই সপ্তাহ ধরে কূটনৈতিকভাবে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছে।

 

ইতোমধ্যে তারা ইসলামাবাদে সার্ক সম্মেলন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও ভুটান।

 

ড. আয়েশা সিদ্দিকা বলছেন, এর পাল্টা জবাবে পাকিস্তান এখন চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইছে। তার মতে, ভারত পাকিস্তানের এই দ্বন্দ্ব তাই আর এখন কেবল দক্ষিণ এশিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকছে না, আরো বৃহত্তর আন্তর্জাতিক পরিসরেও এ নিয়ে একটা কূটনৈতিক মেরুকরণ দেখা যাচ্ছে।

 

ইমরান খানের প্রতিক্রিয়া

 

পাকিস্তান সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর আক্রমণে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের নেতা ও সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান। পাকিস্তানের বিরোধী এ নেতা বলেছেন, এ ধরনের আক্রমণের জবাব কিভাবে দিতে হয় তা তিনি বলবেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফকে।

 

ইমরান বলেছেন, প্রথমে তার নওয়াজকে বার্তা দেয়ার কথা মনে হয়েছিল। কিন্তু এখন তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বার্তা দিতে চান।

 

ইমরান পাকিস্তানি জনগণের কাছে একটি মিছিলে অংশ নেয়ার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দেশের ঐক্য তুলে ধরতে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করা উচিত।

 

ইমরান বলেছেন, মোদিকে কিভাবে জবাব দিতে হয় তা শরিফকে শেখাবেন তিনি। আজ শুক্রবার রায়উইন্ড অভিমুখে এ অভিযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

 

ভারতের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ : ভারতের রাষ্ট্রদূতকে তলব পাকিস্তানের

 

ভারতের দাবি করা ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ ঘোষণার পর পাকিস্তানে ভারতের রাষ্ট্রদূত গৌতম বাম্ভাওয়ালেকে তলব করেছে পাকিস্তান। এই হামলার ঘটনার প্রকাশ্যে আসার পরই হামলার নিন্দা জানান পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। অন্য দিকে এই অভিযানের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

 

ভারতকে সতর্ক করে দিলো যুক্তরাষ্ট্র

 

পাকিস্তানি ভূখণ্ডে ভারত যে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালানোর দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত তা নিশ্চিত করেনি। সেইসাথে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র জন কিরবি শুক্রবার বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি পাকিস্তানের সাথে উত্তেজনা না বাড়ানোর জন্য ভারতকে সতর্ক করে দিয়েছে।

 

ওয়াশিংটনে সংবাদ সম্মেলনে কিরব বলেন, পাকিস্তান-ভারতের মধ্যকার উত্তেজনার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র অবগত রয়েছে। বৃহস্পতিবার ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বৃহস্পতিবার গুলিবিনিময়ের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

 

ভারত দাবি করেছে, বৃহস্পতিবার তারা পাকিস্তান ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে। তবে পাকিস্তান এই দাবি অস্বীকার করেছে। তবে পাকিস্তান মিডিয়া দাবি করেছে, হামলা চালাতে আসা ১৪ ভারতীয় সৈন্য নিহত হয়েছে। আর পাকিস্তানের দুই সৈন্য নিহত হয়েছে।

 

পাকিস্তান ভূখণ্ডে অভিযানই হয়নি!

 

পাকিস্তান ভূখণ্ডে ঢুকে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ চালানোর কথা ঘোষণা করেছে ভারত। তবে পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের ভূখণ্ডে কোনো হামলাই চালানো হয়নি।

 

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি, ভারতীয় সেনা পাক অধিকৃত কাশ্মিরে ঢুকে কোনো হামলা চালায়নি। নিয়ন্ত্রণ রেখার অন্য পাশ থেকে ভারত যে গোলাবর্ষণ করেছে মাত্র। ভারতের গোলাবর্ষণে পাকিস্তান বাহিনীর দুই জওয়ারের মৃত্যু হয়েছে বলেও পাকিস্তান জানিয়েছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন।

 

পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছে, ভারত বাজার গরম করার চেষ্টা করছে। পাক অধিকৃত কাশ্মিরে কোনো সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ভারত করেনি। মাঝেমধ্যেই নিজেদের এলাকা থেকে পাকিস্তানের দিকে ভারত যেভাবে গোলাবর্ষণ শুরু করে, বুধবার মধ্যরাত থেকেও ভারত তা-ই করছিল। ভারতের এই গোলাবর্ষণের উপযুক্ত জবাব পাকিস্তান দিয়েছে বলে পাকিস্তান সেনার জনসংযোগ শাখার দাবি। তবে ভারতের গোলাবর্ষণে দুই পাকিস্তান জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে পাকিস্তান স্বীকার করেছে। পাক সেনার তরফে আরো বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তানের মাটিতে ভারত যদি কোনো সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায়, তা হলে পাকিস্তানও একই উপায়ে জবাব দেবে।’

 

পাকিস্তানের মোকাবেলায় নৌবাহিনীকেও প্রস্তুত রেখেছে ভারত!

 

পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধের আশঙ্কায় পাকিস্তান উপকূল ঘেঁষে বিশাল বাহিনী মোতায়েন করছে ভারত। ভারতের একটি মিডিয়ায় জানানো হয়, গুজরাত উপকূলে রয়েছে ভারতীয় নৌবহর ৩৬টি যুদ্ধজাহাজের বহর। এখানেই শেষ নয়, নৌবাহিনীর মার্কোস কমান্ডো থেকে শুরু করে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত বাহিনী। সেইসঙ্গে রয়েছে বিমানবাহিনীর বিশাল দল। এত বড় এক বাহিনী গুজরাত উপকূলে পাকিস্তানের পানিসীমা ঘেঁষে মোতায়েন করছে ভারত।

 

এই পানিসীমার একদম কাছেই পাকিস্তানের অন্যতম সেনাঘাঁটি করাচি। এ ছাড়াও পাকিস্তানের এই পানিপথ দিয়ে বাণিজ্যও চলে। কৌশলে চাপ বাড়াতেই এই বিপুল বাহিনী মোতায়েনে ভারত এগিয়েছে বলে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

 

যদিও সরকারিভাবে বলা হচ্ছে, নৌসেনা ও বিমানসেনার এত বড় বাহিনী মোতায়েনের পেছনে রয়েছে যৌথ মহড়া। দিন কয়েক পরেই গুজরাত উপকূলের এই এলাকায় পাকিস্তানের পানিসীমা ঘেঁষে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এই মহড়া চালাবে বলেই দাবি করা হচ্ছে। ভারতের এই মহড়া ঘিরে এখন পর্যন্ত পাকিস্তানের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়া হয়নি।

 

নেওয়াজ সোমবার সর্বদলীয় সংসদীয় বৈঠক ডেকেছেন

 

প্রধানমন্ত্রী নেওয়াজ শরিফ আগামী সোমবার সর্বদলীয় এবং আন্তপ্রাদেশিক জাতীয় অ্যাকশান প্ল্যান ও ন্যাশনাল সিকিউরিটির বৈঠক ডেকেছেন। বৈঠকে ভারতের সাথে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।

 

প্রধানমন্ত্রীর অফিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাশ্মির ও নিয়ন্ত্রণ রেখার বিষয়ে আলোচনার জন্য সংসদীয় দলের বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে প্রদেশগুলোর মুখ্যমন্ত্রী ও পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

 

হিলারির আশঙ্কা

 

যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটন আশঙ্কা করছেন যে, পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র উগ্রপন্থীদের হাতে পড়তে পারে। এর ফলে একটি ‘ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির’ সৃষ্টি হতে পারে। গণমাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে।

উৎসঃ   নয়া দিগন্ত

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here